এই নিবন্ধের সারাংশ: ‘অবিভক্ত বঙ্গ বাঙালির ভাষা ও সংস্কৃতির চরম ক্ষতির কারণ হতো।’
গত কয়েক দিন যাবৎ মুখপুস্তিকায় নতুন একটি বিষয় আলোচনায় এসেছে: দেশভাগের জন্য হিন্দুরাই দায়ি ছিল, সুতরাং ১৯৪৭-এ (বাংলা)দেশ থেকে হিন্দুদের খেদানো, ৪৭-৭১ পর্বে কদিন পর পর রায়ট করে হিন্দুদের হত্যা করা এবং দেশত্যাগে বাধ্য করা, একাত্তরে প্রধানত হিন্দুদেরই খুন করা, হিন্দুনারীদের ধর্ষণ করা এবং প্রায় এক কোটি হিন্দুকে বেঘর করে ভারতে যেতে বাধ্য করা মুসলমানদের দিক থেকে ‘উচিৎ’ কাজই হয়েছিল। এক লেখক বলেছেন, শৈশবে নিজের এলাকায় পরিত্যক্ত ও দখলকৃত হিন্দু বাড়িঘর দেখে কিছুটা মর্মাহত তিনি হতেন বটে, কিন্তু আজ জুলাই জঙ্গোত্তর কালে পরিণত বয়সে সেই একই বাড়িঘর দেখে তাঁর আর তেমন খারাপ লাগে না।
দেশভাগ করেছিল যে হিন্দু নেতারা, তাদের কুন্তলটুকুও ছেঁড়া যায়নি। যে সব বেচারা রাম-শ্যাম-যদু-মধুকে (কমপক্ষে চার জন) মরতে হয়েছে, তাদের স্ত্রী-কন্যা-ভগ্নীকে ধর্ষিতা হতে হয়েছে, স্বদেশ ত্যাগ করে ভারতে যেতে হয়েছে, কেউ কেউ বলছে, তাদের সংখ্যা নাকি মাত্র বাইশ লক্ষ। পক্ষান্তরে ‘রহিম-করিম’ (মাত্র দুই জন), অর্থাৎ ভারত থেকে পূর্ব পাকিস্তানে মুসলমান নাকি এসেছে এর প্রায় তিন গুণ, অর্থাৎ সত্তর লক্ষ।
সংখ্যাটা আসিফ নজরুলের বাংলাদেশে কর্মরত ছাব্বিশ লক্ষ ভারতীয়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। ১৯৪৭ সালে দুই বাংলা মিলে বাঙালি জনসংখ্যা যদি তথাকথিত সাত কোটি হয়ে থাকে, এবং হিন্দু জনসংখ্যা যদি এর ৩৫% ভাগ হয়, তবে অবিভক্ত বাংলায় হিন্দু জনসংখ্যা দুই কোটির কিছু বেশি ছিল না কি? বাইশ লক্ষ বাদে প্রায় দুই কোটি হিন্দু যদি নিজের জীবন ও স্ত্রী-কন্যা-ভগ্নীর ইজ্জত হারানোর ঝুঁকি নেয়ে মহানন্দে পাক সার জমিন পূর্ব পাকিস্তানে থেকেই গিয়ে থাকে, তবে পাটিগণিতের এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির কোন হিসাবে, বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যা আজ ৮%-এর নিচে নেমে এসেছে?
যাক সে কথা। তবে এ প্রসঙ্গে যে একটি প্রশ্ন মনে না এসে পারে না, সেটি হচ্ছে, ১৯৪৭-এর পর থেকে আজ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম জনসংখ্যা কি একই হারে কমেছে? যদি না কমে থাকে, তবে তারই বা কারণ কী?
দেশভাগ সঠিক হয়েছিল কিনা, সিলেট পাবার জন্য মুর্শিদাবাদকে হারাতেই হতো কিনা, লাহোর পাবার জন্য কলিকাতার লোভ ত্যাগ না করে উপায়ান্তর ছিল কিনা, এসব ভিন্ন প্রশ্ন। ‘কুছ পানেকি লিয়ে কুছতো ছোড়না পড়েগা।’ আসল প্রশ্ন হচ্ছে: দেশভাগ মানে কি ভারতভাগ, নাকি নিছক বাংলাভাগ? বাংলা যদি ভাগ নাও হতো, ভারততো ভাগ হতোই, নাকি? বাংলা যদি ‘অভাগা’ (‘অভাগা’ শব্দটিকে ‘অবিভক্ত’ কিংবা ‘ভাগ্যহীন’ উভয় অর্থেই নেওয়া যেতে পারে!) থাকতো, এবং ভারত যদি ভাগ হতো, তবে অভাগা বাংলা কি পাকিস্তানে যোগ দিত, নাকি পূর্বভারতে একটি স্বাধীন মুসলিম প্রধান দেশ হতো?
পরিস্থিতি এই দুইয়ের মধ্যে যেটিই হয়ে থাকুক, পূর্ববঙ্গের হিন্দুদের উপর আক্রমণ হতোই। অখণ্ড বঙ্গে হিন্দুরা নিরাপদে থাকতো, এ কথা পাগলেও বিশ্বাস করতো না, ১৯৪৭ সালেতো অবশই না, এখনতো আরও না! দেশভাগের কারণে পূর্ববঙ্গের হিন্দুরা ভিটেমাটি হারিয়ে পশ্চিমবঙ্গে গিয়ে অন্তত বাংলায় ভাববিনিময়টুকু করতে পারছে। তারা ভিটেমাটিটুকু হারিয়েছে, কিন্তু ভাষা কিংবা সংস্কৃতিটুকু হারায়নি। বাংলাভাগ না হলে পূর্ব ও পশ্চিম, উভয় (হ্যাঁ, উভয়!) বঙ্গের হিন্দু জনগোষ্ঠীকে বাংলা (ভাষা-সংস্কৃতি-দেশ) ছাড়া হতে হতো, ছালা ও আম, তাদের দুইই যেতো!
ভারতে এসে কোথায় যেতো বাঙালি হিন্দুরা? বিহার, উত্তর প্রদেশ, আন্দামান... এই সব জায়গায়, আর কোথায়? দেশভাগের কারণে বিহারের অনুর্বর ভূমি ছেড়ে মুসলমান এসেছে সুজলা-সুফলা-শষ্যশ্যামলা বাংলায়। পশ্চিমবঙ্গ না থাকলে সব বাঙালি হিন্দুকে যেতে হতো অনুর্বর, বিরূপ, প্রতিকূল পরিবেশের আন্দামান কিংবা উত্তর ভারতে| এর ফলশ্রুতি কী হতো? বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে বাঙালি হিন্দুর সম্পর্ক শিথিল হতে হতে হতে এক সময় তারা অ-বাঙালি হয়ে যেতো, যেমন হয়েছে আমার নিজের আত্মীয়-স্বজন। বাঙালি হিন্দুর শিশিরবিন্দু হিন্দি ভাষা ও সংস্কৃতির মহা সাগরে মিশে যেতো: ‘লিখে রেখো এক ফোঁটা দিলেম শিশির!’
বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির কী এমন ক্ষতি হতো এতে? পূর্ববঙ্গজাত সত্যজিৎ, মৃণাল, ঋত্বিক, সুনীলের মতো প্রতিভাসমূহ বিহার কিংবা উত্তর প্রদেশের রিফিউজি ক্যাম্পে অনাদরে শুকিয়ে যেতো? পশ্চিম ও উত্তর ভারতের বিরূপ পরিবেশে কোনো বাঙালি হিন্দুর পক্ষেই বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির চর্চা করা সম্ভব হতো না।
আমি নিজেও বাংলাদেশেরই লেখক, তবুও আমি মনে করি, এখনও বাংলা ভাষার সবচেয়ে ভালো বইটি, কী হিন্দু, কী মুসলমানের হাতে, পশ্চিমবঙ্গেই লেখা হয়, বাংলাদেশে নয়। বাংলা ভাষায় দেখার মতো চলচ্চিত্রগুলোর বেশির ভাগ অদ্যাবধি বাংলাদেশে নয়, পশ্চিমবঙ্গেই নির্মিত হয়েছে| বাংলা ভাগ না হলে, এসবের কিছুই সম্ভব হতো না বলে আমার ধারণা।
কোনো সন্দেহ নেই, অভাগা বাংলায় শালোয়ার কারাউকির মতো স্বেচ্ছা-পলাতক সচ্চরিত্র চলচ্চিত্রকার কিংবা ফকির তরফদারের মতো লেখকেরা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হতো, আজকের মতোই। প্রশ্ন হতেই পারে: ‘এরা ওদের চেয়ে কোন অংশে কম?’ গত আট দশকে হিন্দু ও মুসলমান, উভয় সম্প্রদায়ের কাবলিয়তের নিরপেক্ষ বিচার করে এই প্রশ্নের উত্তর দেবার ভার আপনাদের উপর ছেড়ে দিলাম।
অভাগা বাংলায় হিন্দু বাঙালির দুরবস্থা হতো, এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহের কারণ নেই। কিন্তু মুসলমান বাঙালিরও কি কম দুরবস্থা হতো? এটা ঠিক যে ক্ষুদ্রতর ও দুর্বলতর ভারতের দুই প্রান্তে দুটি বড়সড় মুসলমান প্রধান রাষ্ট্র গড়ে নিয়ে অতিদ্রুত গাজওয়া-এ-হিন্দ না করতে পারার দুরারোগ্য জ্বালাটা অভিভক্ত কিংবা বিভক্ত বাংলার কিছু সংখ্যক মুসলমানদের মনে থাকতো না।
কিন্তু এতে বাংলাভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতির কী লাভ হতো? উর্দুভাষী মুসলমানদের সংখ্যাগুরুত্বের দাপটে অভাগা বাংলায় ভাষা আন্দোলন সম্ভব হতো কি? ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই!’ জোর দিয়ে বলা যেতো কি? উর্দু বিনা প্রতিবাদে অভাগা বাংলার রাষ্ট্রভাষা হতো, হতোই।
ভাষা আন্দোলন যদি না হয়, তবে মুক্তিযুদ্ধেরতো প্রশ্নই আসে না। শেখ মুজিবের মতো একজন নেতা কি উঠে আসতে পারতেন অভাগা বাংলায়? ‘নববর্ষ, ‘ছায়ানট’ এই সব তথাকথিত হিন্দুগন্ধী, বিদাত অপসংস্কৃতি স্বাধীন বাংলাদেশেই বার বার আক্রান্ত হয়েছে, অভাগা বাংলায় এসবের কী হাল হতো?
দেশভাগ না হলে বাঙালি জাতি, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ক্ষতি, নাকি লাভ হতো,সে প্রশ্নের উত্তর গবেষণাসাপেক্ষ হলেও উজানের আলোচনার ভিত্তিতে কিছু ধারণাতো করাই যায়। আমি মনে করি, বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির যে বিকাশ দেশভাগের পর হয়েছে, দেশভাগ না হলে সেটা অ-সম্ভব ছিল।
দেশভাগ না হলে পূর্ববঙ্গের মুসলমান বুঝতেই পারতো না যে হিন্দুদের মতো তারাও বাঙালি। ‘রেখেছো মুসলমান করে, বাঙালি করোনি!’ অভাগা বাংলার কোনো কবি চরম খেদে লিখতেই পারতেন এই পঙতিখানা।
‘হাতমে বিড়ি, মুমে পান, লেড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান!’ শ্লোগানটা মিথ্যা নয়। কারা, কোন সম্প্রদায় ছিল এই শ্লোগানের লক্ষ্য? জিন্নার ইচ্ছায় ও সুহরাওয়ায়ার্দির চেষ্টায় কোলকাতায় ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ নামক দাঙ্গা হয়েছে, এই দাবি যদি গ্রহণযোগ্য নাও হয়, প্রথমত, দাঙ্গা চলাকালীন অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ও কলিকাতা শহরের মেয়র উভয়েই যে মুসলমান ছিলেন, এ কথাতো মিথ্যা নয়। সুতরাং দাঙ্গার দায় কিছুটা হলেও মুসলমান নেতাদের উপরও বর্তায়।
দ্বিতীয়ত, দেশভাগের আগে পর পর তিন বার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মুসলমান থাকা সত্তেও, স্বদেশবাসীর দ্বারা আক্রান্ত হবার মর্মান্তিক অভিজ্ঞতার পর হিন্দু বাঙালি ও অবাঙালি নেতারা যদি মুসলমান বাঙালি নেতাদের উপর বিশ্বাস হারিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে তাদের উপর দেশভাগের সম্পূর্ণ দোষ চাপানো যুক্তিযুক্ত হয় কি? মূখ্যমন্ত্রী হয়েই যদি এমন কাণ্ড করে, প্রধানমন্ত্রী হলে না জানি কী করবে, হিন্দুদের এই ভয় যে একেবারে অমূলক ছিল না, বিভক্ত বাংলার গত আশি বছরের ইতিহাসে তার ভুরি ভুরি প্রমাণ রয়েছে।
বাংলাভাগে কার বেশি ক্ষতি হয়েছে, হিন্দুর নাকি মুসলমানের, সে প্রশ্নের উত্তরও গবেষণা-সাপেক্ষ। তবে ১৯৪৭ সালে হিন্দু বাঙালি মূলত নিজের ধর্ম ও অস্তিত্ব রক্ষার জন্য নিজের চরম ক্ষতি হওয়া সত্তেও বাংলা ভাগ মেনে নিতে ‘বাধ্য’ হয়েছিল। সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তারা, কারণ হিন্দুর ধর্ম ও জীবন যে পাকিস্তান ও বাংলাদেশে বার বার আক্রান্ত হয়েছে, গত আট দশকের ইতিহাসে তার প্রমাণের অভাব নেই।
সব মিলিয়ে, ১৯৪৭ সালে হিন্দু বাঙালির দেশভাগ মেনে নেবার সিদ্ধান্তে হিন্দুর ধর্ম ও জীবনের সঙ্গে সঙ্গে পূর্ব ও পশ্চিম ‘উভয়’ (হ্যাঁ, উভয়) বাংলার হিন্দু ও মুসলমানের মাতৃভাষা বাংলা ও বাঙালি সংস্কৃতি রক্ষা পেয়েছে বলে যদি কেউ মনে মনে করে, তবে সেই ধারণাকে অমূলক বলা যায় না।
অবিভক্ত বাংলার পক্ষে যারা, তাদের মধ্যে তিন ধরনের লোক রয়েছে: একদল, শেরে বাংলা ফজলুল হকের মতো নিতান্তই সরলমনা, ভালো মানুষ; দ্বিতীয় দল, যেমন পাকিস্তান সমর্থন করতো যে বামপন্থীরা, তারা নিতান্তই মূর্খ, এম এন রায়ের মতো খান বিশেক ভাষা জানা সত্তেও মূর্খ, অপরিণামদর্শী এবং অবিমৃশ্যকারী, স্বপদে কুঠার হানায় ওস্তাদ!
তৃতীয় দল অন্তরের অন্তস্থলে কিংবা প্রকাশ্যে হিন্দু ও ভারত-বিদ্বেষী! গাজওয়ায়ে হিন্দ এদের মূল লক্ষ্য! এই গাজওয়ার ফলে ইসলাম ও মুসলমানের সুবিধা কতটা হতো, সেটা আফগানিস্তান-পাকিস্তানের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। কোনো সন্দেহ নেই এই গাজওয়া বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির সাড়ে বারোটা বাজাতো। শেষোক্তদের দুর্ভাগ্যক্রমে অবিভক্ত বাংলা এদের কালো হাত থেকে ফসকে গেছে! বাঙালির পূর্বতন চৌদ্দ পুরুষের কোনো অজানা পূণ্যফলে ১৯৪৭ সালে বাংলা বিভক্ত হয়ে বাঙালি হিন্দু, হিন্দু ও মুসলমানের এজমালি সম্পত্তি বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির মৃত্যুঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
সব সময় ভেবে এসেছি, ইতিহাসের উজানে কী ঘটলে, কী হতে পারতো, সেটা সময়-নদীর ভাটিতে বসে বলা অসম্ভব! এই লেখা লিখতে গিয়ে আমার সে ভুল ভেঙে গিয়েছে| কী কী ঘটেছে, তার ভিত্তিতে, ভিন্ন কিছু ঘটলে তার পরিণতি কী হতে পারতো, আন্দাজ করা অসম্ভব নয় বটে!
উজানের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে সর্বান্তকরণে আমি চাই, বাংলা আপাতত বিভক্তই থাকুক, ধর্মের নিগড় শিথিল হয়ে জাতীয়তা ও মনুষ্যত্বের ধারণা কোনো একদিন বাঙলির মনে প্রবল হলে,তখন অন্য রকম না হয় ভাবা যাবে! আপাতত, বর্তমান পরিস্থিতিতে, জাতিগঠনের এই পর্যায়ে ভারতবর্ষের রাজনীতিতে যুক্তবাংলা এমন এক ভয়ঙ্কর বিষ, যা গলাধঃকরণ করলে মৃত্যু ও ধ্বংসের সমূহ সম্ভাবনা! ১৯৪৭ এর পর থেকে এই পরিস্থিতির বিশেষ উন্নতি হয়নি।
অভিভক্ত বাংলার প্রাণের নেতা শেরেবাংলা একে ফজলুল হকের প্রাণের বন্ধু, সহকর্মী ও গুরুভাই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে যারা আজ গুরুত্ব দিয়ে স্মরণ করতে চাইছেন, যারা তাঁকে পশ্চিম বঙ্গের রূপকারের সম্মান দিতে চাইছেন, পত্রপাঠ তাদের নিন্দা করার আগে উজানের আলোচনাকে ধর্তব্যের মধ্যে নেওয়া যেতে পারে, যদি তাতে কিয়ৎ পরিমাণ হলেও সারবত্তা থাকে।
সবিনয়ে স্বীকার করছি, আমার ভুল হওয়া খুবই সম্ভব। যা কিছু উজানে লিখেছি, সেটা যতটা স্মৃতিনির্ভর, ততটা গবেষণা-নির্ভর নয়। গালাগালি ও বিদ্রুপ না করে আমার ভুল (টা/গুলো) ধরিয়ে দেবার জন্য সুশীল পাঠকের নিকট আগাম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।















0 Comments