বাংলাদেশের ভূমিপুত্র হিন্দুদের কি নিজ দেশে টিকে থাকার জন্য কথা বলা উচিত? নাকি স্বাধীনতার জন্য কথা বলা উচিত?
বিষয়টি হলো আপনার বাড়িতে আপনি থাকার জন্য আন্দোলন করছেন! তার মানে আপনি পরাধীন!
বিদেশী নাগরিক অথবা পরাধীন নাগরিকেরা আক্রমনের ভয়ে সমষ্টিগত ভাবে নিরাপত্তা চাইতে পারে! কিন্তু বাংলাদেশের প্রায় ২ কোটির বেশি ভূমিপুত্র হিন্দুরা সবসময়ই নিজেদের দেশে থাকার জন্য নিরাপত্তা চাইছে এটাই ভাবতেই যেনো কেমন লাগে!
১৯৪৭ সালের পর থেকেই প্রত্যেকবার রাজনৈতিক পট পরিবর্তন সহ বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশের ভূমিপুত্র হিন্দু সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে আক্রমণ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে বিতাড়ন করার কারণে প্রায় ৩৮% থেকে কমে ১০% এসে ঠেকেছে। অনেক আগে থেকেই বাংলাদেশ লাগোয়া ভারতের পার্শ্ববতী রাজ্য যেমন ভারতের পশ্চিমবাংলা,আসাম, ত্রিপুরা রাজ্যগুলিতে জনবিন্যাস বদলে গেছে! লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশী হিন্দুদের চাপে তাদের কর্মসংস্থান ও জীবিকা নির্বাহের উপর চাপ বাড়ছে এবং তাদের আবাদযোগ্য জমি এবং বসত বাড়িভিটা কমছে। ফলে সংগত কারনেই তাদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে! সামাজিক অস্থিরতা বাড়ছে যা সত্যিই দূঃখজনক। এইভাবে একটি দেশের ভূমিপুত্রদের অন্যদেশে চলে যেতে বাধ্য করা মানবতা বিরোধী অপরাধ।
উল্লেখ্য নিচের প্রথম আলা পত্রিকার প্রতিবেদনের চেয়ে গত কয়েকদিনে হামলার সংখ্যা আরো বেশি! বাংলাদেশের হিন্দুদের বাড়িঘর ও মন্দিরে হামলা প্রকৃত পক্ষে আরো কয়েকগুন বেশি!
৫–২০ আগস্ট: হামলার শিকার সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১০৬৮
0 মন্তব্যসমূহ