
'সনাতন স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশন' কর্তৃক বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিকট কয়েকটি আহ্বান
 |
- মন্দিরের দায়িত্ব শুধুমাত্র সিকিউরিটি বাহিনীর নয়, এই দায়িত্ব আমাদের সকলের।
|
 |
- মন্দির প্রাঙ্গন হতে হবে নেশামুক্ত।
|
 |
- কোন বখাটে যেন বোনদের ইভটিজিং বা কটুক্তি করতে না পারে সেই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
|
 |
- প্রতিমা নির্মাণসহ পূজার সমস্ত প্রক্রিয়ায় ধর্মীয় বিধান মেনে সাত্ত্বিক পরিবেশ নিশ্চিত করুন।
|
 |
- আলোকসজ্জা বা অন্যান্য খরচ কমিয়ে বাজেটের একটি অংশ দিয়ে গরীব পরিবারকে সাহায্য করা উচিত।
|
 |
- প্রতিদিন সুন্দর, সুশৃঙ্খলভাবে এবং সঠিক নিয়মে অঞ্জলীর পরিকল্পনা এবং তা নিশ্চিত করুন।
|
 |
- সমবেত চণ্ডীপাঠ বা সমবেত প্রার্থনার আয়োজন করুন।
|
 |
- নিজের ধর্মকে মনোরঞ্জনের খোরাক করবেন না, পূজাতে ভক্তি ও শ্রদ্ধা রাখুন।
|
 |
- ধর্মীয় বিষয়ের উপর শিশু, কিশোর, তরুণদের মাঝে কুইজ প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার প্রদানের আয়োজন করুন।
|
 |
- প্রতি সন্ধ্যায় মন্ডপে মণ্ডপে ধর্মীয় আলোচনা এবং ধর্মীয় সঙ্গীত ও নৃত্যের আয়োজন করুন। এজন্য প্রতিদিন এক বা দুইজন উপযুক্ত ব্যক্তিকে আলোচনার জন্য নির্বাচিত করা যেতে পারে।
|
 |
- আরতির নামে ডিজে, কুরুচিপূর্ণ গানসহ সব ধরনের উশৃঙ্খলতা অবশ্যই বন্ধ করা প্রয়োজন।
|
 |
- প্রতিমা হবে সাজ-সজ্জায় অবয়বে মায়ের মতো। প্রতিমার পেছনের অংশেও রঙ করতে হবে।
|
দুর্গাপূজা ২০২৩ আগামী অক্টোবর মাসে শুরু হতে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মুসলিম দুর্বৃত্ত কর্তৃক দুর্গাপ্রতিমা ভাঙচুরের খবর পাওয়া গেছে। এমতাবস্থায় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও নিরাপদে শান্তিপূর্ণভাবে পালন করার জন্য 'সনাতন স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশন' কর্তৃক বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিকট কয়েকটি আহ্বান রেখেছে। আহ্বানগুলির গুরুত্ব বিবেচনা করে এই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হল।
সাত্ত্বিকভাবে দুর্গাপূজা উদযাপনের জন্য সবার প্রতি আহ্বান
আহ্বানগুলি নিম্নরূপ:
- মন্দির প্রাঙ্গন হতে হবে নেশামুক্ত।
- সমবেত চণ্ডীপাঠ বা সমবেত প্রার্থনার আয়োজন করুন।
- নিজের ধর্মকে মনোরঞ্জনের খোরাক করবেন না, পূজাতে ভক্তি ও শ্রদ্ধা রাখুন।
- মন্দিরের দায়িত্ব শুধুমাত্র সিকিউরিটি বাহিনীর নয়, এই দায়িত্ব আমাদের সকলের।
- প্রতিমা হবে সাজ-সজ্জায় অবয়বে মায়ের মতো। প্রতিমার পেছনের অংশেও রঙ করতে হবে।
- আরতির নামে ডিজে, কুরুচিপূর্ণ গানসহ সব ধরনের উশৃঙ্খলতা অবশ্যই বন্ধ করা প্রয়োজন।
- প্রতিমা নির্মাণসহ পূজার সমস্ত প্রক্রিয়ায় ধর্মীয় বিধান মেনে সাত্ত্বিক পরিবেশ নিশ্চিত করুন।
- প্রতিদিন সুন্দর, সুশৃঙ্খলভাবে এবং সঠিক নিয়মে অঞ্জলীর পরিকল্পনা এবং তা নিশ্চিত করুন।
- কোন বখাটে যেন বোনদের ইভটিজিং বা কটুক্তি করতে না পারে সেই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
- আলোকসজ্জা বা অন্যান্য খরচ কমিয়ে বাজেটের একটি অংশ দিয়ে গরীব পরিবারকে সাহায্য করা উচিত।
- ধর্মীয় বিষয়ের উপর শিশু, কিশোর, তরুণদের মাঝে কুইজ প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার প্রদানের আয়োজন করুন।
- প্রতি সন্ধ্যায় মন্ডপে মণ্ডপে ধর্মীয় আলোচনা এবং ধর্মীয় সঙ্গীত ও নৃত্যের আয়োজন করুন। এজন্য প্রতিদিন এক বা দুইজন উপযুক্ত ব্যক্তিকে আলোচনার জন্য নির্বাচিত করা যেতে পারে।
0 মন্তব্যসমূহ