লাভ জিহাদের ক্ষেত্রে মুসলিম মা ও ছেলের কাজকর্ম - শুভাশিষ

লাভ জিহাদের ক্ষেত্রে মুসলিম মা ও ছেলের কাজকর্ম - শুভাশিষ


মুসলিম পরিবারের “মায়েরা” লাভ জিহাদের ক্ষেত্রে খুব ভাইটাল রোল প্লে করে কাল একটা পোস্টে কমেন্ট করেছিলাম। তো কিছু মানুষ মেসেজ করে এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন। তাই আজ এই পোস্টের মাধ্যমে “মা + ছেলের” এই ভয়ঙ্কর গেম নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই। 


ধর্মান্ধ, উগ্রবাদী ছেলেরা তো সাধাসিধে, সেক্যুলার, মানবতাবাদী সেজে হিন্দু মেয়েদের প্রেমের ফাঁদে জড়াচ্ছে। কিন্তু দীর্ঘদিন প্রেম করার পরেও মেয়েদের কোথাও গিয়ে একটা দ্বিধা-কিন্তু থাকে, কারণ নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া কঠিন, আর সে পরিবার মুসলিম হলে কাজটা ভীষণ ভীষণ কঠিন। আর ঠিক এখানেই ফিনিশিং টাচ দিচ্ছে মুসলিম পরিবারের মায়েরা। 


আন্টি বা খালাম্মা একদম বাড়িতে ডেকে বিরিয়ানি, হালিম রেঁধে খাইয়ে রাখি-পূজা-মধুমিতাদের মাথায় হাত রেখে মাতৃস্নেহ দিয়ে মন জয় করে ফেলছে। এতদিন যে দ্বিধা-কিন্তু ছিল, তা দু-তিনবার দেখা করলেই উধাও। হিন্দু মেয়েরা ভাবতে শুরু করে, আন্টি কত ভালো, মমতাময়ী, মায়ের মতো আগলে রাখবে আমায়। এই আশ্বস্ত করার কাজটাই আন্টির দায়িত্ব আসলে। আন্টিও হিন্দু মেয়েকে মুসলিম বানিয়ে জেহাদ করছেন তবে তা ভীষণ স্মার্টলি। 


মা হোক বা ছেলে বা পরিবার উদ্দেশ্য একটাই, ইসলামের এজেন্ডা বাস্তবায়ন। কেন আন্টি বলছে না, 


“আম্মা, তুমি ভুল করছো। মা-বাবার মনে দুঃখ দিয়ে মুসলিম হয়ে তুমি বিরাট ভুল করছো। এই পরিবেশে মানিয়ে নিতে পারবে না।”


আমার মা তো মুসলিম মেয়ে বিয়ে করতে চাইলে মানবে না, তাহলে আন্টি কেন মানছে? কারণ আন্টিও চায়, হিন্দু মেয়ের পেটে মুসলিম বাচ্চা জন্ম নিক। 


আমাদের সনাতনীদের কাছে মা খুব পবিত্র। আমরা অন্যের মাকেও ভীষণ সম্মান করি, আর ঠিক এখানেই বহু ছেলে-মেয়ে ঠকে যাচ্ছে। হিন্দু সমাজের ভাঙ্গন রোধ করতে চাইলে এই পুরো সিস্টেমকে বুঝতে হবে। মা জাতিকে একশোবার সম্মান করুন, কিন্তু নিজের মা-বাবার মনে দুঃখ দিয়ে না।। 


(লাভ জি হা দ নিয়ে নিজের মতো সামান্য কাজ করি। সেখানে ঘুরে ফিরে এই প্যাটার্নটাই বার বার দেখি। সাবধানে হয়ে যান। ছেলে-মেয়ে কার বাড়ি যাচ্ছে খেয়াল রাখুন।)


@ Subhasish

Post a Comment

0 Comments