![]() |
| সঞ্জিত বিশ্বাস | ছবি: সংগৃহীত |
প্রতিমা ভাঙচুরকারী সঞ্জিত মানসিক ভারসাম্যহীন, ভারতীয় নাগরিক নন: পুলিশ
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গত শনিবার রাতে হরি মন্দির ও কালি মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার সঞ্জিত বিশ্বাস (৪৫) ভারতীয় নন, তিনি বাংলাদেশের নাগরিক।
গত সোমবার ফরিদপুর জেলা পুলিশ তাকে ভারতীয় নাগরিক বলে উল্লেখ করলেও পরে মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার সঞ্জিত মানসিক ভারসাম্যহীন। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার নিজামকান্দি গ্রামের নিশিকান্ত বিশ্বাসের ছেলে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে সঞ্জিত বিশ্বাসের ছবি দেখে তার বাবা নিশিকান্ত বিশ্বাস (৭২) ফরিদপুর জেলা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তিনি জানান যে, আটক সঞ্জিত তার ছেলে এবং সে মানসিকভাবে অসুস্থ। সঞ্জিত কাজের উদ্দেশে ভারতে গিয়ে অনেকদিন ছিলেন। পরে দেশে ফেরার পর প্রায় চার বছর আগে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। এরপর থেকে সঞ্জিত আর বাড়িতে ফেরেননি এবং পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করেননি।
উল্লেখ্য, গত শনিবার দিবাগত রাতে ভাঙ্গা বাজারের হরি মন্দিরের একটি প্রতিমার হাতের আঙুল, ময়ূরের গলা মোচড়ানো, ঘোড়ার কান ও আঙুল, অসুরের হাতের আঙুল এবং ভাঙ্গা থানার সামনের কালি মন্দিরের প্রতিমার হাতের আঙুল ও শুঁড় ভাঙা হয়।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সঞ্জিত বিশ্বাসকে রোববার রাতে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
---------------
এর আগে পুলিশের বরাতে বলা হয়েছিল যে সঞ্জয় ভারতীয় নাগরিক। সেই খবরটি নিচে দেয়া হল:-
ফরিদপুরে নির্মাণাধীন দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় ‘ভারতীয় নাগরিক’ গ্রেপ্তার
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৪:৫৫ অপরাহ্ন, সর্বশেষ আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৫:০৩ অপরাহ্ন
নিজস্ব সংবাদদাতা, ফরিদপুর
ফরিদপুরে দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুরে ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার
![]() |
| সঞ্জিত বিশ্বাস | ছবি: সংগৃহীত |
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগ একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম সঞ্জিত বিশ্বাস (৪৫)। তিনি ভারতীয় নাগরিক। তার বাড়ি নদীয়ায় এবং তার বাবার নাম নিশি কান্ত বিশ্বাস।
আজ সোমবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ফরিদপুর জেলা পুলিশ এই তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত শনিবার রাতে কে বা কারা ভাঙ্গা বাজার এলাকায় হরি মন্দির ও কালী মন্দিরে নির্মাণাধীন প্রতিমা ভাঙচুর করে। ওই ঘটনার তদন্তকালে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে সঞ্জিত বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোহাম্মদ মোকছেদ হোসেন বলেন,
'আজ দুপুর ৩টার দিকে ওই ব্যক্তিকে ফরিদপুর কোর্টে পাঠানো হয়েছে।'
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, পুলিশ যাকে গ্রেপ্তার করেছে, ওই ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন। গত দেড় মাস ধরে তাকে ভাঙ্গা বাজার, ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দেখা গেছে।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার দিবাগত রাতে ভাঙ্গা বাজারের গুড়পট্টি এলাকায় অবস্থিত ভাঙ্গা বাজার সর্বজনীন হরি মন্দির এবং ভাঙ্গা থানার সামনে অবস্থিত ভাঙ্গা সর্বজনীন কালী মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
--------------
দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুরের খবরটি নিম্নরূপ:--
ফরিদপুরে দুটি মন্দিরে নির্মাণাধীন প্রতিমা ভাঙচুর
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১২:৫১ অপরাহ্ন, নিজস্ব সংবাদদাতা, ফরিদপুর
![]() |
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দুর্গা পূজার মণ্ডপে প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। ছবি: সংগৃহীত |
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দুটি মন্দিরের নির্মাণাধীন দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভাঙ্গা বাজারের গুড়পট্টি এলাকায় অবস্থিত 'ভাঙ্গা বাজার সার্বজনীন হরি মন্দির' এবং ভাঙ্গা থানার সামনে অবস্থিত 'ভাঙ্গা সার্বজনীন কালি মন্দির'-এ এই ঘটনা ঘটে।
ভাঙ্গা বাজার সার্বজনীন হরি মন্দির সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা সুজিৎ সাহা (২৭) জানান,
আজ রোববার সকালে তিনি মন্দিরে প্রণাম করতে এসে দেখেন প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন,
এ মন্দিরটি তিন দিকে দেয়াল এবং উপরে টিন দিয়ে আচ্ছাদিত। তবে সামনে কোনো গেট নেই। এ মন্দিরে মোট ১৪টি প্রতিমা নির্মাণ করা হয়। এর মধ্যে আটটি প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়েছে।
মন্দির ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি স্বপন চন্দ্র সাহা (৫৫) জানান,
এ মন্দিরে দুর্গা পূজা ৭৫ বছরের পুরোনো। এমন ঘটনা আগে কখনো ঘটেছে বলে শুনিনি।
ওই মন্দির থেকে আনুমানিক একশ মিটার দূরে ভাঙ্গা থানার সামনে অবস্থিত ভাঙ্গা সার্বজনীন কালী মন্দির। এখানেও প্রতিমা নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর রঙের কাজ বাকি ছিল।
ওই এলাকার বাসিন্দা শিবু সাহা (৫২) জানান,
সকালে নির্মাণাধীন প্রতিমা দেখতে গিয়ে তিনি গণেশের প্রতিমা ভাঙা অবস্থায় পান।
মন্দিরের সভাপতি কাশিনাথ সাহা জানান,
শতবর্ষের পুরনো এ মন্দিরে এমন ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি। বিষয়টি ভাঙ্গা থানায় জানানো হয়েছে।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মোহাম্মদ ইমদাদ হুসাইন বলেন,
ভাঙ্গায় দুটি মন্দিরে নির্মাণাধীন প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তিনি।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইয়াছিন কবীর দ্য ডেইলি স্টারকে জানান,
এ ঘটনা তিনি শুনেছেন। এই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করার জন্য কাজ করছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। ইতিমধ্যে থানায় এ ব্যাপারে সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

















0 Comments