ফরিদপুরে মন্দিরে নির্মাণাধীন দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুর

ফরিদপুরে মন্দিরে নির্মাণাধীন দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুর
ফরিদপুরে মন্দিরে নির্মাণাধীন দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুর

“মন্দিরে মোট ১৪টি প্রতিমা ছিল; এর মধ্যে আটটি প্রতিমার বিভিন্ন অংশ দুর্বৃত্তরা ভেঙে ফেলে।”


ফরিদপুর প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, Published : 15 Sep 2024, 09:06 PM, Updated : 15 Sep 2024, 09:09 PM


ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় একটি মন্দিরে নির্মাণাধীন আটটি দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।


উপজেলা সদর বাজারের গুড়পট্টি এলাকার হরি মন্দিরে এ ঘটনা ঘটে বলে ভাঙ্গা থানার ওসি মোকসেদুর রহমান জানিয়েছেন।


হরি মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক অরুণ চন্দ্র সাহা বলেন,

 “কয়েকদিন আগেই মাটির কারিগররা প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ করেছেন। আমরা দু-একদিনের মধ্যে রঙ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম।

 

ফরিদপুরে মন্দিরে নির্মাণাধীন দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুর


“এই মন্দিরে মোট ১৪টি প্রতিমা ছিল, এর মধ্যে আটটি প্রতিমার বিভিন্ন অংশ দুর্বৃত্তরা ভেঙে ফেলে। বিষয়টি আমরা সংশ্লিষ্ট পুলিশকে জানালে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত কাজ শুরু করেছেন।”


ভাঙ্গা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি স্বপন চন্দ্র সাহা সাংবাদিকদের বলেন, 


“হরি মন্দিরের কার্তিক, অর্জুন, গনেশসহ মোট আটটি প্রতিমার বিভিন্ন অংশে ভাঙচুর করা হয়েছে। আমরা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এ ঘটনার বিচার চেয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীরা আইনের আওতায় আসবে।”


ঘটনাটি ‘সর্বোচ্চ গুরুত্ব’ দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানিয়ে ওসি মোকসেদুর রহমান বলেন, 


“এরই মধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থল জেলা পুলিশ সুপার পরিদর্শন করেছেন। প্রকৃত অপরাধী অবশ্যই আইনের আওতায় আসবে।”



সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Post a Comment

2 Comments

  1. ফরিদপুরে মন্দিরে থাকা প্রতিমা ভাঙার ঘটনা ঘটেছে রাত্রে। আর পুলিশ দিনের বেলায় তদন্ত করতে গিয়ে মন্দিরের সামনে দুইজনকে পেয়েছে। এদের মধ্যে একজন ভারতীয় নাগরিক হওয়ায় তাকেই মন্দিরে প্রতিমা ভাঙার জন্য দায়ী হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে। মুসলিম পুলিশের এই কাণ্ড হাস্যকর নাকি ইচ্ছাকৃত আসল অপরাধীকে আড়াল করার প্রয়াস তা সুশিক্ষিত মানুষ মাত্র বোঝে। যিনি প্রতিমা ভাঙবেন, তিনি পুলিশের সামনে দিনের বেলায় গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবেন এই বিশ্বাস দিয়ে কী বোঝানো হচ্ছে, তা আমরা জানি।

    সমকাল পত্রিকায় প্রকাশিত খবর পড়ুন--->>>


    ফরিদপুরে প্রতিমা ভাঙচুর: ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার


    সঞ্জিত বিশ্বাস। ছবি: সমকাল

    ফরিদপুর অফিস

    প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | ১৮:২৪ | আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | ১৮:৩৩


    ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় হরি মন্দির ও কালি মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় এক ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ফরিদপুর জেলা পুলিশের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম সঞ্জিত বিশ্বাস (৪৫)। তিনি ভারতের নদীয়া জেলার নিশি কান্ত বিশ্বাসের ছেলে।

    এর আগে শনিবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় ভাঙ্গা বাজারের হরি মন্দিরের কার্তিক ঠাকুরের হাতের আঙুল, ময়ূরের গলা মোচড়ানো, ঘোড়ার কান ও আঙুল, অসুরের হাতের আঙুল এবং কালি মন্দিরের গণেশের হাতের আঙুল ও শুঁড় ভাঙা দেখে ভাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ করে মন্দির কমিটি।

    জেলা পুলিশ সুপার মো. আব্দুল জলিল জানান, ঘটনা তদন্তের সময় ঘটনাস্থলের পাশে কালি মন্দিরের সামনে দুজন ব্যক্তিকে পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদে একজনকে স্থানীয়রা পরিচিত বলে শনাক্ত করেন। অপর ব্যক্তিকে সন্দেহ হওয়ায় তাকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি একবার বাংলা এবং একবার হিন্দি ভাষায় কথা বলতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি ভারতীয় নাগরিক পরিচয় দেন।

    তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার সঞ্জিত বিশ্বাসকে পরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


    সমকাল পত্রিকার লিংক

    ReplyDelete
  2. পুলিশ কথা পাল্টাচ্ছে। ফরিদপুরে রাতে ঘটা প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় দিনের বেলায় মন্দিরের সামনে থেকে অপরিচিতি একজন গ্রেফতার। বলা হল তিনি ভারতীয় নাগরিক। এখন বলা হচ্ছে তিনি ভারতীয় নন। পুলিশ যে যেনতেন উপায়ে মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ধামাচাপা দিতে চাচ্ছে, খবরের ঘনঘটনায় তা বোধহয় আর ঢেকে রাখা যাচ্ছে না। পড়ুন বিডিনিউজ২৪ এর খবর। লিঙ্ক এখানে


    ফরিদপুরে প্রতিমা ভাঙচুর: গ্রেপ্তার ব্যক্তি ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’, ‘ভারতীয় নন’

    পুলিশ বলছে, তাদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে সঞ্জিতের বাবা ফরিদপুর জেলা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে ছেলে বলে দাবি করেন।
    ফরিদপুরে প্রতিমা ভাঙচুর: গ্রেপ্তার ব্যক্তি ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’, ‘ভারতীয় নন’

    ফরিদপুর প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, Published : 17 Sep 2024, 09:52 PM, Updated : 17 Sep 2024, 10:24 PM


    ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় হরি মন্দির ও কালী মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিক নয় বলে দাবি করছে পুলিশ।

    তাকে গ্রেপ্তারের একদিন পর মঙ্গলবার ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

    এর আগে সোমবার এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে জানানো হয়েছিল, প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় সঞ্জিত বিশ্বাস (৪৫) নামের এক ভারতীয় নাগরিককে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    সেই কথা থেকে সরে এখন পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার সঞ্জিত বিশ্বাস ‘ভারতের নাগরিক নন’, তিনি ‘মানসিক ভারসাম্যহীন বা মানসিক বিকারগ্রস্ত’।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন বলেন, “ভাঙ্গার হরি মন্দির ও কালী মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় সোমবার আমাদের দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হলে সঞ্জিত বিশ্বাসের বাবা নিশিকান্ত বিশ্বাস (৭২) ফরিদপুর জেলা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তখন তিনি জানান যে, আটক ব্যক্তি তার ছেলে। তার নাম সঞ্জিত বিশ্বাস, সেটাও তিনিই জানিয়েছিলেন।

    “নিশিকান্ত আরও বলেন যে, সঞ্জিত মানসিকভাবে অসুস্থ। সে প্রায় ২৪-২৫ বছর বয়সে কাজের উদ্দেশ্যে ভারতে গিয়ে দীর্ঘদিন সেখানে থাকার পরে দেশে ফেরেন। এরপর প্রায় চার বছর আগে সে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়, আর বাড়িতে ফিরে আসেনি এবং পরিবারের সঙ্গে তার কোন যোগাযোগ নাই।”

    পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, “মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তি ভারতে নাগরিক নন, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন বা মানসিক বিকারগ্রস্ত।”

    শনিবার রাতের কোন এক সময় ভাঙ্গা বাজারের হরি মন্দিরের কার্তিক ঠাকুরের হাতের আঙুল, ময়ূরের গলা মোচড়ানো, ঘোড়ার কান ও আঙুল, অসুরের হাতের আঙুল এবং কালী মন্দিরের গণেশের হাতের আঙুল ও শুঁড় ভাঙা দেখে ভাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ করে মন্দির কমিটি।

    এ ঘটনার পর রোববার রাতে কালী মন্দিরের সামনে থেকে সঞ্জিতকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সোমবার বিকালে ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলার ইউএনও বি এম কুদরত-এ-খুদা স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন।

    সঞ্জিতকে গ্রেপ্তারের বর্ণনায় এ দিন জেলা পুলিশ সুপার মো. আব্দুল জলিল বলেন, “ঘটনা তদন্তের সময় কালী মন্দিরের সামনে দুজন ব্যক্তিকে পাওয়া যায়। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় একজনকে স্থানীয়রা পরিচিত বলে শনাক্ত করেন।

    “এ সময় অপর ব্যক্তিকে সন্দেহ হওয়ায় তাকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তখন তিনি একবার বাংলা এবং একবার হিন্দি ভাষায় কথা বলতে থাকেন। এক পর্যায়ে তিনি নিজেকে ভারতীয় নাগরিক পরিচয় দেন।”

    সঞ্জিতকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা।

    ReplyDelete